Arthoniti Chinta
Arthoniti Chinta

সম্পাদক পরিচিতি

বিশ্বজিৎ ঘোষ

বিশ্বজিৎ ঘোষের জন্ম ১৯৫৮ সালে, বরিশালে।

‘বুদ্ধদেব বসুর উপন্যসে নৈঃসঙ্গ্যচেতনার রূপায়ন’ বিষয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর উপাচার্য পদে আসীন।

বিশ্বজিৎ ঘোষ মূলত প্রাবন্ধিক-গবেষক। মাঝেমধ্যে লিখে থাকেন কবিতা ও ছোটগল্প। 

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: বাংলাদেশর সাহিত্য, নজরুলমানস ও অন্যান্য প্রসঙ্গ; আন্তর্জাতিক ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও রবীন্দ্রনাথ; অশেষ রবীন্দ্রনাথ; বুদ্ধদেব বসুর উপন্যাসে নৈঃসঙ্গ্যচেতনার রূপায়ণ; জীবনানন্দ, জসীমউদ্দীন এবং সাহিত্যে নারীর মুখ ও অন্যান্য; বাংলা সাহিত্যে নারী; রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও উত্তরকাল; লোকপুরাণ জনসমাজ ও কথাশিল্প; কথামালা; কথাসাহিত্য পাঠ ইত্যাদি। নানা বিষয়ে পঞ্চাশের অধিক গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন তিনি।

সাহিত্যক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৬ সালে বাংলা একাডেমি’র ‘ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক স্বর্ণপদক’, ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আবদুর রব চৌধুরী স্বর্ণপদক’, ২০০৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত ‘মহাকবি মধুসূদন জাতীয় পদক’, ২০১১ সালে গবেষণায় ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’, ২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জাস্টিস ইব্রাহিম স্মারক স্বর্ণপদক’, ২০১৭ সালে ‘ঋষিজ পদক’ অর্জন করেন।

Arthoniti Chinta

বিশ্বজিৎ ঘোষ

বিশ্বজিৎ ঘোষের জন্ম ১৯৫৮ সালে, বরিশালে।

‘বুদ্ধদেব বসুর উপন্যসে নৈঃসঙ্গ্যচেতনার রূপায়ন’ বিষয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর উপাচার্য পদে আসীন।

বিশ্বজিৎ ঘোষ মূলত প্রাবন্ধিক-গবেষক। মাঝেমধ্যে লিখে থাকেন কবিতা ও ছোটগল্প। 

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: বাংলাদেশর সাহিত্য, নজরুলমানস ও অন্যান্য প্রসঙ্গ; আন্তর্জাতিক ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও রবীন্দ্রনাথ; অশেষ রবীন্দ্রনাথ; বুদ্ধদেব বসুর উপন্যাসে নৈঃসঙ্গ্যচেতনার রূপায়ণ; জীবনানন্দ, জসীমউদ্দীন এবং সাহিত্যে নারীর মুখ ও অন্যান্য; বাংলা সাহিত্যে নারী; রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও উত্তরকাল; লোকপুরাণ জনসমাজ ও কথাশিল্প; কথামালা; কথাসাহিত্য পাঠ ইত্যাদি। নানা বিষয়ে পঞ্চাশের অধিক গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন তিনি।

সাহিত্যক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৬ সালে বাংলা একাডেমি’র ‘ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক স্বর্ণপদক’, ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আবদুর রব চৌধুরী স্বর্ণপদক’, ২০০৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত ‘মহাকবি মধুসূদন জাতীয় পদক’, ২০১১ সালে গবেষণায় ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’, ২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জাস্টিস ইব্রাহিম স্মারক স্বর্ণপদক’, ২০১৭ সালে ‘ঋষিজ পদক’ অর্জন করেন।